মোহাম্মদ আককাস আলী,নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি:
নওগাঁর মহাদেবপুরে এক গৃহবধূকে মারধর করে ঘরে আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে। ওই ঘটনায় থানা পুলিশ ওই গৃহবধূকে উদ্ধার করে তার বাবা-মার হাতে তুলে দেন। এ ব্যাপারে গৃহবধূর মা মোছা. মাসুমা বেগম থানায় লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার খাজুর ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর গ্রামের বাসিন্দা মোছা. মাসুমা বেগম তার মেয়েকে একই ইউনিয়নের শালদাপুর গ্রামের রাকিব হোসেনের সাথে বিয়ে দেয়। বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন পারিবারিক বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ চলছিল।
এর জের ধরে গত ১০ মার্চ সকাল ১০টার দিকে শালদাপুর গ্রামে স্বামীর বাড়িতে আবারও স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। এক পর্যায়ে রাকিব হোসেন ক্ষিপ্ত হয়ে স্ত্রীকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকেন। এসময় স্ত্রী তাকে গালিগালাজ করতে নিষেধ করলে তিনি আরও ক্ষুব্ধ হয়ে স্ত্রীকে মারধর করেন। এতে গৃহবধূর শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত ও ফোলা জখম হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এছাড়া মারধরের পর ভুক্তভোগীকে ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে স্বামীর বাড়িতে আটকে রাখা হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। ঘটনাটি স্থানীয়ভাবে জানাজানি হলে বিষয়টি পুলিশের নজরে আসে।
পরে মহাদেবপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই গৃহবধূকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠায়।
ভুক্তভোগীর স্বামী রাকিব হোসেন জানান,থানায় বসার যে তারিখ ছিল ওইদিন তারা না বসে ঈদের পরে বসার তারিখ নির্ধারণ করেছে।
এ ব্যাপারে ওসি শহিদুল ইসলাম জানান, এ'ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে ভুক্তভোগী গৃহবধূকে উদ্ধার করে পরিবারের হাতে তুলে দিয়েছে এবং একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।