মোহাম্মদ আককাস আলী :
কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে নওগাঁর প্রান্তিক কৃষক ও খামারিরা চাহিদার তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ গবাদিপশু প্রস্তুত করেছেন। ইতিমধ্যে পশুর হাটগুলো জমে উঠতে শুরু করেছে। এবছর পশু-খাদ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় পশু লালনপালনে খরচ বেশি হওয়া অন্যদিকে বাজার নিয়ে অনিশ্চয়তায় দ্বিমুখী চাপে রয়েছেন খামারিরা। এছাড়া সীমান্তবর্তী জেলা হওযায় সীমান্ত পথে অবৈধভাবে গরু প্রবেশও ভাবিয়ে তুলছে খামারিদের।
জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের তথ্য মতে, জেলার ১১টি উপজেলায় ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় ৩৮ হাজার ৯০৯ জন খামারি প্রায় ৮ লাখ গরু, মহিষ, ছাগল এবং ভেড়া লালন-পালন করেছেন। জেলায় চাহিদা রয়েছে ৩ লাখ ৮৭ হাজার পশুর। উদ্বৃদ্ধ ৪ লাখ ১০ হাজার ৬৭৮টি গবাদিপশু দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ হবে।
খামারিরা জানান, গত ৩ মাসের ব্যবধানে দানাদার খাবারের দাম বস্তাপ্রতি ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। বেড়েছে শ্রমিকের মজুরিও। পাশাপাশি জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধিও কারণে হাটে গরু পরিবহন খরচও বাড়বে। সে অনুপাতে পশুর দাম না বাড়ায় সারা বছরের খরচ সমন্বয় আর ন্যায্য মূল্য পাওয়া নিয়ে শঙ্কা খামারিদের।
জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের ট্রেনিং অফিসার ডা. গৌরাংগ কুমার তালুকদার বলেন, প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে গবাদিপশু লালন-পালনে খামারিদের খরচ কমাতে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর থেকে বিভিন্ন পরামর্শ ও চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হয়। প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে মাংসের উৎপাদন বৃদ্ধি পেলে পশু সুস্থ থাকার পাশাপাশি ক্রেতাদের কাছে আগ্রহ বাড়বে এবং খামারিরাও লাভবান হবেন। এছাড়াও সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে গরু যাতে প্রবেশ করতে না পারে এ জন্য প্রশাসন ও বিজিবির সঙ্গে আমরা সমন্বয় করে ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।